Published On: শনি, মার্চ ৩, ২০১৮

খুলনায় উৎসবের আমেজ

মাওয়া সেতু হয়ে যাবে, সেতুর ওপর দিয়ে রেলপথ নির্মিত হবে, গোপালগঞ্জ হয়ে রেলপথ মংলা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, খুলনা-মংলা রেল লাইন, এক হাজার মেগাওয়াটের বৃহদাকার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হবে, নেপাল, ভুটান, পশ্চিমবঙ্গ মংলা বন্দর ব্যবহার করবে। এসব আর অলীক কল্পনা নয়। সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য। শুধু এটুকুই যদি কার্যকর হয় তাহলে অর্থনীতির আর কোনো ক্ষেত্রকে টেনে তুলতে হবে না। স্বাভাবিক নিয়মেই সব কর্মকান্ড গতি পাবে, রাজধানী খুব কাছে এসে যাবে। খুলনায় বসে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা সহজ হবে নিঃসন্দেহে।

এছাড়াও নগরীর শিববাড়ী মোড়স্থ জিয়া (পাবলিক হল) পুনঃনির্মাণ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার বেডে উন্নীত করাসহ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা, রেল স্টেশন থেকে পাওয়ার হাউজ মোড়, ময়লাপোতা হয়ে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ছয় লেন রাস্তা, রূপসা ও ভৈরব নদীর তীর ঘেঁষে শহররক্ষা বাঁধ ও রিভার ভিউ রাস্তা নির্মাণ, খুলনা-ফুলতলা ৬ লেন রাস্তা নির্মাণ, খুলনা টেক্সটাইল পল্লী, খুলনা মেরিন একাডেমী, খুলনা ক্যাডেট কলেজ, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা নির্মাণ, ইত্যাদি দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন এখন খুলনাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

আমরা আশা করি পদ্মা সেতু নির্মাণের পর খুলনা তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সরাসরি যোগাযোগে যে বিপ্লব সাধিত হবে, তাতে করে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে “নতুন খুলনা” ভূমিকা রাখবে। ফলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন হবে।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Editor : Rahmatullah Bin Habib


55/B, Purana Palton, Dhaka-1000


Email : nobosongbad@gmail.com


copyright @nobosongbad.com


খুলনায় উৎসবের আমেজ